মামার বাড়ি ফিরলেন মৌসম, ২০২৬ বিধানসভার আগে রাজনৈতিক আবহাওয়া বদল মৌসমের
মালদা, ৩ জানুয়ারি: পুরনো দলেই আবার ফিরে গেলেন মৌসম বেনজির নূর। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়ে কংগ্রেসের দিল্লির সদর কার্যালয়ে যোগদান করেন মালদহের বরকত গণি সাহেবের কোতুয়ালি ভবনের অন্যতম মূখ মৌসম। দলের প্রতি অভিমান,একরাশ ক্ষোভ এবং দলের সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব কমে আসায় তৃণমূল ছেড়েছেন মৌসম বলে জানিয়েছেন।
মৌসমের রাজনৈতিতে প্রবেশ ২০০৮ সালে। তার মা রুবি নূর যিনি তৎকালীন কংগ্রেস দলের বিধায়ক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর মৌসম বেনজির নূর রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ২০০৯ সালের গোড়ার দিকে তিনি একই আসন থেকে বিধানসভায় নির্বাচিত হন। এই বছরই মালদহের উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রতীকে লড়াই করে জয় লাভ করে সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৯ সাল পযর্ন্ত সাংসদ ছিলেন তিনি। এরপর কংগ্রেসের সাংসদ থাকা কালীনই মৌসম শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তাকে মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করা হয়। এই বছরই ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল তাকে উত্তর মালদার প্রার্থী করে। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী খগেন মূমূর কাছে হেরে যায় মৌসম। এরপর প্রায় এক বছর পর তৃণমূল তাকে রাজ্যসভার সাংসদ করেন। মৌসমের অভিযোগ এরপর থেকেই দলে তিনি গুরুত্ব হারাতে শুরু করে। এই কারণেই তার এই সিদ্ধান্ত। মৌসমের দাদা ঈশা খান চৌধুরী দক্ষিণ মালদা কেন্দ্রের কংগ্রেস সাংসদ। তার মামা প্রয়াত এ বি এ গণি খান চৌধুরী রেলমন্ত্রী ছিলেন। প্রয়াত এ বি এ গণি খান চৌধুরী এক কথায় মালদার রূপকার ছিলেন। এই পরিবারে সদস্যই আবার পুরনো দলে ফিরে আসায় মালদার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা। সূত্রের খবর মালদহের সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেসের প্রার্থী হতে পারেন মৌসম। এদিকে কাঠগড়ায় বিধানসভা। তার আগে শাসক দল ছেড়ে কংগ্রেসের মৌসম ফিরে যাওয়ায় যথেষ্ট চাপে তৃণমূল কংগ্রেস।
Comments
Post a Comment