সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে নজর মিমের, মোথাবাড়িতে তৃণমূল ছেড়ে যোগদান মিমে
মালদা, কালিয়াচক/২২ ডিসেম্বর: মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বিধানসভা কেন্দ্রে আবার তৃণমূল ছেড়ে মিমে যোগদান করল বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী সমর্থক। মিমকে গুরুত্ব দিতে নারাজ একযোগে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস। ভোট কেটে বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়া মিমের উদ্দেশ্য দাবি তাদের।
পাল্টা মিমের দাবি এতদিন তো এই রাজ্যে মিম ছিল না। তাহলে বিজেপির উত্থান হলো কিভাবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস কোন কাজ করেনি। আর সেই কারণে এই দুটি দল থেকে মুখ ফিরিয়েছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা দলে দলে মিমে যোগদান করছে। মালদার মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কালিয়াচক এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গুদুয়া গ্রামে বেশ কিছু মানুষ তৃণমূল কংগ্রেস কংগ্রেস ছেড়ে এসে মিমে যোগদান করেন। তাদের হাতে পতাকা তুলে দেন মিমের মালদা জেলার সভাপতি রেজাউল করিম। এর আগেও এই বিধানসভা কেন্দ্রের অচিনতলা এলাকায় তৃণমূল ছেড়ে কয়েকশো কর্মী সমর্থক নিমে যোগদান করেছিল। আর এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। রাজ্যের একমাত্র কংগ্রেস সাংসদ ঈসা খান চৌধুরীর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে এই মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্র।
মিমের জেলা সভাপতি দাবি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ এর আগে অন্য দলকে ভোট দিয়েছে। কিন্তু সেই দলগুলি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য কিছু করেনি। সেই কারণেই মানুষ দলে দলে মিমে যোগদান করছে। জেলার আটটি বিধানসভা কেন্দ্রে আমরা প্রার্থী দেব।বিভিন্ন জায়গায় কমিটি তৈরি করা হচ্ছে। ব্লক সভাপতি ও অঞ্চল সভাপতি ও বুথ সভাপতি মনোনীত করা হচ্ছে। হুমায়ুন কবিরের দল বা আইএসএফের সাথে জোট হতে পারে। সেটা রাজ্য নেতৃত্ব জানে।
ভোট কেটে বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়ার জন্য ময়দানে নেমেছে মিম। দাবি তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস নেতৃত্বের। সারাদেশে বিজেপি নিজের দমে সংগঠন করেছে ও একের পর এক রাজ্য উদ্দেশে নির্বাচিত হয়েছে। বিজেপির অন্য কাউকে দরকার নেই, দাবি বিজেপি দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার মুখপাত্র অম্লান ভাদুড়ীর।
Comments
Post a Comment