মালদা, ২২ ডিসেম্বর: মালদহে ফের খুন। এবারে বাড়িতে ঢুকে দরজা বন্ধ করে এক ব্যক্তিকে ভুজালি দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার কেবিএস ছোটো কামাত এলাকায়। মৃত ওই ব্যক্তির নাম আতাবুর রহমান (৪৫)। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল রাত্রে ওই ব্যক্তির গোঙানির আওয়াজ শুনে চিৎকার করতে শুরু করে পরিবারের লোকজন। কিন্তু ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ থাকায় তারা বেরোতে পারছিলেন না। ইতিমধ্যেই কোনক্রমে বাড়ির দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখা যায় ওই ব্যক্তির মাথা থেকে অঝোরে রক্ত ঝরছে। পরিবারের লোকজন ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। রাতেই ঘটনাস্থলে এসেছিলেন কালিয়াচকের এসডিপিও ফয়জাল রাজা। এই ঘশুরয় দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদ শুরু করেছে পুলিশ। তবে কি কারণে এই খুন তা এখনো জানা যায়নি।
মালদা, ২০ ডিসেম্বর : বড়সড় সাফল্য মালদহ ডিভিশন আরপিএফ এর। পাচারের আগে ১২৮ টি জীবন্ত কচ্ছপ ও কাছিম উদ্ধার করল মালদহ ডিভিশনের আরপিএফ। বস্তায় করে পাচারের আগে মালদা টাউন রেলওয়ে স্টেশনে আরপিএফ অভিযানে মোট ১২৮ টি জীবিত কচ্ছপ ও কাছিম সহ গ্রেফতার এক মহিলা। মালদহ রেল ডিভিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদা টাউন রেলওয়ে স্টেশনে, ১৩৪১০ কিউল–মালদা টাউন ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটির এসকর্ট ডিউটি চলাকালীন আরপিএফ কর্মীরা লক্ষ্য করেন যে, ট্রেনটি নিউ ফারাক্কা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছাড়ার পর একজন মহিলা যাত্রী পাঁচটি ভারী ব্যাকপ্যাক ব্যাগ এবং একটি পাটের ব্যাগ বহন করছেন। যাত্রীটি ব্যাগগুলোর ভেতরে থাকা জিনিসপত্র সম্পর্কে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন এবং এই তথ্য মালদহ আরপিএফ কে জানানো হয়। এদিন রাত প্রায় ১০ টা নাগাদ ট্রেনটি মালদা টাউন রেলওয়ে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে পৌঁছালে, আরপিএফ অফিসাররা মহিলা কর্মীদের সাথে নিয়ে যৌথ তল্লাশি চালান এবং বস্তার ভেতরে লুকানো ১২৮টি জীবিত কচ্ছপ উদ্ধার করেন।উদ্ধারকৃত কচ্ছপ ও কাছিম এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের ...
মালদহ, সুমিত ঘোষ: তৃণমূল কর্মীদের, এবার হাতে লাঠি ও ঝাঁটা দিয়ে মারার নিদান বিজেপি নেতার। প্রকাশ্য সভা থেকে তার এই বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য। পাল্টা তৃণমূল বিধায়কের দাবি, সামনে ভোট আছে, মাঠে ময়দানে দেখা হবে।। মালদার বৈষ্ণবনগর এর ১৬ মাইলে, বিজেপির একটি জনসভা থেকে বিজেপি দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি তারক ঘোষ বক্তব্য রাখতে গিয়ে, বলেন প্রত্যেক মা-বোনদের বলছি, হাতে লাঠি ধরবেন। হাতে ঝাঁটা ধরবেন। যেখানেই দেখবেন সেখানেই পেটাবেন। যতক্ষণ না এদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে এদের উৎপাত করে ফেলছি ততক্ষণ পর্যন্ত সজাগ থাকতে হবে। রক্ষী হতে হবে। আমরা শুধু সরকারের পরিবর্তন করব না। বাংলার পরিবর্তন করব, সোনার বাংলার পরিবর্তন করব। সোনার বাংলা হবে। কেন তিনি ঝাঁটা লাঠি দিয়ে মারার কথা বললেন এ প্রশ্নের জবাবে, তিনি বলেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা, এখানকার বিধায়ক, একজন মহিলা। এই রাজ্যে নারী নির্যাতন চলছে। কোথাও ধর্ষণ হচ্ছে। কোথাও নারী নির্যাতন হচ্ছে। মহিলারা বিচার পাচ্ছে না। আর সেই কারণেই বলেছি হাতে ঝাঁটা_লাঠি নিতে হবে। পাল্টা এলাকার তৃণমূল বিধায়ক চন্দনা সরকার বলেন, বিজেপির...
মালদা, কালিয়াচক/২২ ডিসেম্বর: মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বিধানসভা কেন্দ্রে আবার তৃণমূল ছেড়ে মিমে যোগদান করল বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী সমর্থক। মিমকে গুরুত্ব দিতে নারাজ একযোগে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস। ভোট কেটে বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়া মিমের উদ্দেশ্য দাবি তাদের। পাল্টা মিমের দাবি এতদিন তো এই রাজ্যে মিম ছিল না। তাহলে বিজেপির উত্থান হলো কিভাবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস কোন কাজ করেনি। আর সেই কারণে এই দুটি দল থেকে মুখ ফিরিয়েছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। তারা দলে দলে মিমে যোগদান করছে। মালদার মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কালিয়াচক এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গুদুয়া গ্রামে বেশ কিছু মানুষ তৃণমূল কংগ্রেস কংগ্রেস ছেড়ে এসে মিমে যোগদান করেন। তাদের হাতে পতাকা তুলে দেন মিমের মালদা জেলার সভাপতি রেজাউল করিম। এর আগেও এই বিধানসভা কেন্দ্রের অচিনতলা এলাকায় তৃণমূল ছেড়ে কয়েকশো কর্মী সমর্থক নিমে যোগদান করেছিল। আর এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। রাজ্যের একমাত্র কংগ্রেস সাংসদ ঈসা খান চৌধুরীর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়...
মালদা, ২১ ডিসেম্বর: নীল-সাদা রঙের ঝকঝকে চারতলা ভবন। বড় বড় হরফে লেখা— ‘রাত্রি নিবাস’ এবং নিচে উল্লেখ রয়েছে ‘রোগীর পরিজনদের জন্য’। বিপুল অর্থ ব্যয়ে মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে গড়ে ওঠা এই রাত্রি নিবাস ভবনটি বছর কয়েক আগে নির্মাণ সম্পূর্ণ হলেও আজও রোগীর পরিজনদের জন্য খুলে দেওয়া হয়নি। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে শত শত রোগীর আত্মীয়স্বজনকে। প্রতিদিনই মালদা মেডিকেল চত্বরে দেখা যায়, ট্রমা কেয়ার ইউনিটের বারান্দা, মাতৃমা ভবনের সামনে শেডের নিচে কিংবা আউটডোরের বাইরে নর্দমার ধারে আশ্রয় নিচ্ছেন রোগীর পরিজনেরা। শীতের এই কনকনে ঠান্ডায় কেউ মাটিতে প্লাস্টিক বিছিয়ে, কেউ মশারি টাঙিয়ে কোনওরকমে রাত কাটাচ্ছেন। অনেকেই দিনের পর দিন এই অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। রোগীর আত্মীয় সাজ্জাক শেখ বলেন, “ভেতরে এত বড় বাড়ি খালি পড়ে আছে, অথচ আমরা ঠান্ডায় মাটিতে শুয়ে রাত কাটাচ্ছি। কর্তৃপক্ষ দেখেও কিছু করছে না।” মোহাম্মদ জিয়াউল শেখের অভিযোগ, “রাত্রি নিবাস লেখা থাকলেও আমাদের সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয় না। পরিবার নিয়ে হাসপাতালের বারান্দায় থাকতে হচ্ছে...
Comments
Post a Comment